রুকইয়াহ

বিবাহ বন্ধের যাদুর লক্ষণসমূহ

বিবাহ হতে বিলম্ব হওয়া মানেই বিবাহ বন্ধ বা বান মারা নয়; তবে এটা বিবাহ না হওয়ার অন্যতম একটি কারণ । বিবাহ বন্ধের যাদুর লক্ষণসমূহ— ১) বাহ্যিক কোনো কারণ ছাড়াই প্রায়ই সর্দি লেগে থাকা২) মানুষিক অস্থিরতা৩) বুকের মাঝে একধরণের সংকীর্ণ ভাব তৈরি হওয়া, বিশেষত আছর এবং মাগরীবের পরে৪) প্রায়ই পেটে ব্যথাভাব অনুভব করা৫) ঘুমের মধ্যে প্রা্য়ই ভয় পাওয়া ৬) ঘুমোতে না পারা৭) ঘুমের মধ্যে অস্বস্তি বোধ করা ৮) এবং ঘুম থেকে ওঠার পরেও...

Continue reading...

পেটের যাদু নষ্টে সোনাপাতা

যাদুর বহুল প্রচলিত প্রকারগুলোর মধ্যে ‘সিহরুল মা’কুল’ তথা খাওয়ানোর যাদু এবং ‘সিহরুল মাশরুব’ তথা পান করানোর যাদু অন্যতম। খাবার এবং পানীয় উভয়টাই যেহেতু পেটে গিয়ে পৌঁছে, সে কারণে এই দুই প্রকার যাদুকে বোঝার সুবিধার্থে আমরা ‘পেটের যাদু’ বলে প্রকাশ করে থাকি । পেটের যাদু নষ্টে সোনাপাতা খুবই উপকারী একটি ভেষজ। সোনাপাতার আরবী নাম ‘সানা’। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই এই পাতা জন্মে, তবে যাদু নষ্টসহ পেটের অন্যান্য চিকিৎসায় মক্কায় জন্মানো সোনাপাতা সবচেয়ে বেশি কার্যকর।...

Continue reading...

রুকইয়াহ’র আয়াত নির্বাচন

আর আমি কুরআন নাযিল করি যা মু’মিনদের জন্য সুচিকিৎসা ও রহমত। সূরা বনী ইসরাঈল, ৮২ ।আয়াতটিতে কুরআনকে শারীরিক বা আত্মিক কোনটির সাথে নির্দিস্ট না করে ব্যাপকভাবে ‘শিফা তথা সু-চিকিৎসা’ হিসেবে উল্লেখ করা; ইঙ্গিত বহন করে যে, কুরআনের মধ্যে শারীরিক ও আত্মিক ‍উভয় রোগের জন্যই নিরাময় রয়েছে ।কুরআনের যেকোন আয়াত বা সূরা-ই সকল রোগের জন্য আরোগ্য । তবে যে রোগের আরোগ্যোর নিয়তে কুরআন পাঠ করা হবে; যে সমস্ত আয়াতে তদসংশ্লিষ্ট আলোচনা এসছে; (আল্লাহ...

Continue reading...

হাড় ক্ষয় সংক্রান্ত রোগের রুকইয়াহ

হাড় ক্ষয় সংক্রান্ত রোগের রুকইয়াহ হাড় ক্ষয়-সংক্রান্ত রোগকে মেডিকেল টার্মে বলা হয় ‘অস্টিওপরোসিস’। ‘অস্টিও’ মানে হাড়, আর ‘পরোসিস’ মানে হলো ছিদ্র। অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয় বলতে শরীরের হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া, ছিদ্রছিদ্র হয়ে যাওয়া বা হাড় নরম হয়ে যাওয়াকে বোঝায়। অস্টিওপরোসিস হলে হাড় অনেকটা মৌচাকের মতো ঝাঁজরা বা ফুলকো হয়ে যায়। ফলে হাড় খুব সহজেই ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। আরবিতে ‘আযম’ (عظم) শব্দের অর্থ হাড়; যার বহুবচন ‘ইযাম’ (عظام)। কুরআনের যেসব...

Continue reading...

গর্ভধারণ ও গর্ভরক্ষার রুকইয়াহ

কুরআনের প্রতিটি আয়াতই মানুষের শারীরিক ও মানসিক সকল রোগের জন্য শিফা ও রহমত। তবে যেসব আয়াতে নির্দিষ্ট কোনো রোগ, কষ্ট বা কাঙ্ক্ষিত বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে—সেসব আয়াত সংশ্লিষ্ট রোগমুক্তির জন্য বিশেষভাবে উপকারী। সুতরাং যাদের সন্তান হচ্ছে না—তারা গর্ভধারণের নিয়তে; আর যারা ইতোমধ্যে গর্ভবতী—তারা গর্ভের হেফাজত ও সুস্থতার নিয়তে কুরআনে বর্ণিত গর্ভ-সংক্রান্ত আয়াতগুলো নিয়মিত তিলাওয়াত করতে পারেন। নিজের জন্যও যেমন করতে পারেন । এ আয়াতগুলো পড়ে অন্যকেও রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক) করতে পারেন। এবং পানিতে...

Continue reading...
error: Content is protected !!