বিপদজনক পরিস্থিতিতে জ্বীনে আক্রান্ত রোগীকে কন্ট্রোলে আনতে শরীরের সর্বশক্তি ব্যবহার করে উচ্চ আওয়াজে আজান দিন । বছর তিনেক আগের ঘটনা, জ্বীনে আক্রান্ত একজন মেয়ে রোগীকে আমার কাছে নিয়ে আসা হলো । রুকইয়াহ করে পাওয়া গেলো মেয়েটি হত্যার যাদুতে আক্রান্ত। তারই বাবার কবরে যাদুর বস্তু পুঁতে রেখে তাকে যাদু করা হয়েছিল। সাথে আসা যাদুর খাদিম জ্বীনটি ছিলো মারাত্মক শক্তিশালী ও আক্রমণাত্মক। অবস্থার সিরিয়াসনেস দেখে প্রথম দিনেই লং সেশন রুকইয়াহ করলাম। দীর্ঘসময় পরে জ্বীনটি...
Continue reading...স্পিচ ডিলে বা শিশুর দেরিতে কথা বলা: করণীয় আমল
স্পিচ ডিলে বা শিশুর দেরিতে কথা বলা: করণীয় আমল যেসব শিশুর শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও উপযুক্ত বয়স অতিক্রম করার পরও কথা বলতে দেরি হয়, তাদেরকে প্রতিদিন ঘুমানোর আগে নিম্নোক্ত আয়াতগুলো অন্তত ৩ বার তিলাওয়াত করে ফুঁ দেওয়া— পড়া পানি ও মধু খাওয়ানোর অভ্যাস করুন। সাধারণ পানির পরিবর্তে জমজমের পানি, বৃষ্টির পানি অথবা এ দুটির মিশ্রণ ব্যবহার করা উত্তম। এছাড়া শিশু খেতে সক্ষম হলে খাবার উপযোগী অলিভ অয়েল, কালোজিরার তেল কিংবা কালোজিরার দানার...
Continue reading...অনলাইন রুকইয়াহ
পরিস্থিতি : কেন এ আয়োজন — প্রবাসী, কিংবা যারা অজপাড়া গাঁয়ে থাকে, অথবা যে সমস্ত জেলায় রাক্বী নেই এমন কোথাও যে রোগী বসবাস করে, তাদের জন্য ঢাকায় কিংবা বিভাগীয় শহরে এসে রুকইয়াহ করা যেমন কষ্টসাধ্য তেমনি ব্যয়বহুল । যেকারণে প্রয়োজনীয়তা বুঝা সত্ত্বেও অনেকেই চিকিৎসা নিতে পারেনা। দিনের পর দিন জ্বীন-যাদুর কষ্টে ভুগতে থাকে। কেবল তাদের কথা বিবেচনায়ই “অনলাইন রুকইয়াহ”র এ আয়োজন। যাতে এ ধরণের রোগীরা একেবারেই বিনা চিকিৎসায় না ভুগে; কমপক্ষে অনলাইনে...
Continue reading...ঘুমন্ত ব্যক্তির মাথায় শয়তানের যাদুর গিঁট
প্রত্যেক ঘুমন্ত ব্যক্তির মাথার পিছনের অংশে শয়তান তিন গিট বিশিষ্ট একটি রশি দিয়ে বেঁধে দেয়, “রাতের আরো লম্বা সময় বাকি আছে তুমি ঘুমাও” এই মন্ত্র পড়ে প্রত্যেক গিঁটে ফুঁ দেয় । ব্যক্তি যখন উঠে আল্লাহকে স্মরণ করে (ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার দোয়া ইত্যাদি পড়ে) তখন তার মাথা থেকে একটি গিঁট খুলে যায়, সে যখন অযূ করে তখন দ্বিতীয় আরেকটি গিঁট খুলে যায়, অতঃপর সে যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন তৃতীয় ও সর্বশেষ গিঁটটিও...
Continue reading...পেটে যাদু থাকার লক্ষণ ও তা নষ্ট করার উপায়
পেটে যাদু থাকার লক্ষণ ও তা নষ্ট করার উপায় যাদুর অবস্থান রোগীর যত কাছে হয়, ততই তা শক্তিশালী হয়। আর রোগী যাদু থেকে যত দূরে যায়, রোগীর ওপর তার প্রভাব ততই কমতে থাকে। রোগীকে সবসময় যাদুর কাছে রাখার জন্য, বা ভিন্নভাবে বললে, যাদুর বস্তুকে স্থায়ীভাবে রোগীর সবচেয়ে কাছে রাখার জন্য জ্বীন বা যাদুকরের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হচ্ছে — রোগীর পেট। কারণ তখন রোগী যেখানেই যাক, যাদুর বস্তু তার থেকে কখনও আলাদা হয় না।...
Continue reading...