যাদু নষ্টের পড়া পানি তৈরি করার জন্য নিম্নোক্ত সূরা ও আয়াতগুলো সাতবার, তিনবার বা সময়ের বিচেনায় যতবার সম্ভব; পাঠ করে পানিতে ফুঁ দিতে হবে । পানির পাত্র মুখের কাছাকাছি নিয়ে পড়লে সবচেয়ে বেশি ভালো হয় । যাতে করে আয়াত তিলাওয়াতকালীন সৃষ্ট মুখের বাতাস সরাসরি পানিতে গিয়ে পৌঁছে । ১) দরুদ শরীফ (১ বার) ২) সূরা ফাতিহা (৭ বার) ৩) সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও নাস (প্রত্যেকটি ৩ বার) ৪) আয়াতুল কুরসী (১...
Continue reading...জ্বীন আছরের বিভিন্ন ধরণ
জ্বীন আছরের বিভিন্ন ধরণ হতে পারে । জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগী চিল্লাপাল্লা বা উদ্ভট আচরণ করবে বিষয়টি সবসময় এমন নাও হতে পারে । চিল্লাপাল্লা বা উদ্ভট আচরণ করা জ্বিন আক্রান্তের একটি ধরণ ও লক্ষণ মাত্র । এমনও হতে পারে যে, কেহ জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত কিন্তু বাহ্যিক কোন সমস্যা পরিলক্ষিত না হওয়ায় তার পরিবার বা আশ-পাশের মানুষ তো দূরের কথা! বিষয়টি সে নিজেই উপলব্ধি করতে পারছেনা । অথচ ভিতরে ভিতরে এ...
Continue reading...পড়ালেখার উপরে হাসাদ
পড়ালেখায় মনোযোগী ও মেধাতালিকায় ক্লাসের প্রথম সারির ছাত্র-ছাত্রী হঠাৎ করেই যদি— পড়ালেখায় অমনোযোগী হয়ে উঠে, পড়তে বসতে চায় না, পড়তে বসলেই মাথাব্যথা করে, পরীক্ষা আসলেই অসুস্থ হয়ে যায়— সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে যে, উক্ত ছাত্র-ছাত্রী ‘জ্বীনের আছর, যাদু কিংবা পড়ালেখার উপরে হাসাদ’ এর কোনো একটিতে আক্রান্ত হয়েছে। তাকে ‘রুকইয়াহ’ করলে আশা করা যায় সমস্যা কেটে যাবে—ইনশাআল্লাহ্। কেস স্টাডি : এই কিছুদিন পূর্বেই আমার ঢাকা সেন্টারে এই টাইপের একজন রোগী এসেছিলেন। মেয়েটি কওমী মাদরাসায়...
Continue reading...রাগ নিয়ন্ত্রণের নববী (স.) প্রেসক্রিপশন
রাগ মানবিক আবেগের অংশ বিশেষ। তবে অনিয়ন্ত্রিত রাগ মারাত্মক ক্ষতিকারক। ইসলাম মানুষকে রাগ নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দিয়েছে। আর রাগান্বিত অবস্থায় ক্ষমা করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে । পবিত্র কুরআনে মুত্তাকীদের পরিচয় দিতে গিয়ে আল্লাহ রব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন— “যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল উভয় অবস্থায় (আল্লাহর রাস্তায়) ব্যয় করে এবং রাগ দমন করে ও মানুষকে ক্ষমা করে- আর আল্লাহ সদাচারীদের ভালবাসেন ।” সূরা আলে ইমরান— ১৩৪ । আরবীতে প্রসিদ্ধ প্রবাদ রয়েছে, ‘রাগের শুরু উন্মাদনা...
Continue reading...ইসমে আ’যম কী?
ইসমে আ’যম— যা দ্বারা দুয়া করলে আল্লাহ সে দুয়া ক্ববুল করেন এবং কোনো কিছু চাইলে আল্লাহ তা দান করেন । সুনানু আবি দাঊদ— ১৪৯৩, সুনানুত তিরমীযি—৩৫৪৪, সুনানু ইবনে মাজাহ— ৩৮৫৭, ৩৮৫৮, মুসনাদে আহমাদ—১৩৫৭০, ১৩৭৯৮। বিভিন্ন হাদীসে ইসমে আ’যমের বিভিন্ন বাক্যের কথা উল্লেখ রয়েছে । তন্মধ্য থেকে সিহাহ সিত্তা ও মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত সাতটি বাক্য এখানে উল্লেখ করা হলো । ১) সুনানু আবি দাঊদ— ১৪৯৬ وَإِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ لَّا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الرَّحْمَنُ...
Continue reading...