প্রত্যেক ঘুমন্ত ব্যক্তির মাথার পিছনের অংশে শয়তান তিন গিট বিশিষ্ট একটি রশি দিয়ে বেঁধে দেয়, “রাতের আরো লম্বা সময় বাকি আছে তুমি ঘুমাও” এই মন্ত্র পড়ে প্রত্যেক গিঁটে ফুঁ দেয় । ব্যক্তি যখন উঠে আল্লাহকে স্মরণ করে (ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার দোয়া ইত্যাদি পড়ে) তখন তার মাথা থেকে একটি গিঁট খুলে যায়, সে যখন অযূ করে তখন দ্বিতীয় আরেকটি গিঁট খুলে যায়, অতঃপর সে যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন তৃতীয় ও সর্বশেষ গিঁটটিও...
Continue reading...মুফতী মুহাম্মাদ আল-আমীন
প্রসঙ্গঃ পেটের যাদু — পর্যালোচনা ও প্রেসক্রিপশন
যাদুর অবস্থান রোগীর যত কাছে হয়, ততই তা শক্তিশালী হয় । আর রোগী যাদু থেকে যত দূরে যায়, রোগীর উপরে তার প্রভাব ততটাই কমতে থাকে । অবশ্য যাদুর কিছু কিছু ক্যাটাগরিতে বিষয়টা এরকম নাও হতে পারে । রোগীকে সবসময় যাদুর কাছে রাখার জন্য বা ভিন্ন শব্দে বললে, যাদুর বস্তুকে স্থায়ীভাবে রোগীর সর্বাধিক কাছে রাখার জন্য জ্বীন বা যাদুকরের সবচেয়ে মোক্ষম ‘থলে’ হচ্ছে — রোগীর পেট । যেহেতু তখন সে যেখানেই যাক, যাদুর...
Continue reading...পেটের যাদু নষ্টের আয়াত
প্রসঙ্গঃ পেটের যাদু শিরোনামে পূর্বে প্রকাশিত একটি লেখায় “পেটের যাদু” এর এর ভয়াবহতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । আজকের লেখায় শুধুমাত্র পেটের যাদু নষ্টের সহায়ক আয়াত নিয়ে আলোচনা করব—ইনশআল্লাহ্। পেটের যাদু নষ্টের আয়াত ১) সূরা ফাতিহা ২) আয়াতুল কুরসি ৩) সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস ৪) যাদু নষ্টের কমন আয়াত ১ । সূরা আ’রাফ ১১৮ থেকে ১২০নং আয়াত فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ (118) فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانقَلَبُوا صَاغِرِينَ (119) وَأُلْقِيَ...
Continue reading...‘সিহরুন নাঝীফ’ বা ইস্তেহাযার যাদু
‘ইস্তেহাযা বা রক্ত স্রাবের যাদু’— শুনতে অদ্ভুত শোনা গেলেও এটি যাদুর বেশ প্রসিদ্ধ একটি প্রকার । যার প্রভাবে ভিক্টিমের আনকন্ট্রোলড রক্ত স্রাবের সমস্যা হয়ে থাকে, যা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখিয়েও আরোগ্য হয় না । ইস্তেহাযা কী? ইস্তেহাযা হলো, হায়েজের নির্ধারিত দিনগুলোর বাহিরে নারীদের রক্ত প্রবাহিত হওয়া । অন্য ভাষায় বললে, কোনো মহিলার তিনদিনের কম বা দশ দিনের বেশি সময় ধরে রক্তস্রাব হওয়া । সাধারণত— ১) অসুস্থ বানানোর যাদু (সিহরুল মারাদ) ২) বিবাহ বিচ্ছেদের...
Continue reading...সাপ জ্বীনে আক্রান্ত একজন রোগী ও আমার অভিজ্ঞতা
ঘরবাড়িতে সাপ দেখা গেলে তা মারার আগে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। দেখলেই হুট করে মেরে ফেলা যাবে না। তবে হ্যাঁ, হামলা করতে উদ্যত হলে তখন ভিন্ন কথা। কমপক্ষে তিনবার চলে যেতে সতর্ক করতে হবে। কারণ জ্বীনদের একটি শ্রেণি রয়েছে যারা সাপের আকৃতি ধারণ করে ঘুরে বেড়ায় । সহীহ ইবনে হিব্বান— ৬১৫৬ । রাবী, হযরত আবু ছা’লাবা খুশানী (রা.) । সাপ ভেবে অন্যায়ভাবে এদেরকে মেরে ফেললে মারাত্মক বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে, এমনকি এক...
Continue reading...