মুফতী মুহাম্মাদ আল-আমীন

‘সিহরুন নাঝীফ’ বা ইস্তেহাযার যাদু

‘ইস্তেহাযা বা রক্ত স্রাবের যাদু’— শুনতে অদ্ভুত শোনা গেলেও এটি যাদুর বেশ প্রসিদ্ধ একটি প্রকার । যার প্রভাবে ভিক্টিমের আনকন্ট্রোলড রক্ত স্রাবের সমস্যা হয়ে থাকে, যা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখিয়েও আরোগ্য হয় না । ইস্তেহাযা কী? ইস্তেহাযা হলো, হায়েজের নির্ধারিত দিনগুলোর বাহিরে নারীদের রক্ত প্রবাহিত হওয়া । অন্য ভাষায় বললে, কোনো মহিলার তিনদিনের কম বা দশ দিনের বেশি সময় ধরে রক্তস্রাব হওয়া । সাধারণত— ১) অসুস্থ বানানোর যাদু (সিহরুল মারাদ) ২) বিবাহ বিচ্ছেদের...

Continue reading...

সাপ জ্বীনে আক্রান্ত একজন রোগী ও আমার অভিজ্ঞতা

ঘরবাড়িতে সাপ দেখা গেলে তা মারার আগে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। দেখলেই হুট করে মেরে ফেলা যাবে না। তবে হ্যাঁ, হামলা করতে উদ্যত হলে তখন ভিন্ন কথা।‌ কমপক্ষে তিনবার চলে যেতে সতর্ক করতে হবে। কারণ জ্বীনদের একটি শ্রেণি রয়েছে যারা সাপের আকৃতি ধারণ করে ঘুরে বেড়ায় । সহীহ ইবনে হিব্বান— ৬১৫৬ । রাবী, হযরত আবু ছা’লাবা খুশানী (রা.) । সাপ ভেবে অন্যায়ভাবে এদেরকে মেরে ফেললে মারাত্মক বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে, এমনকি এক...

Continue reading...

‘সিহরুত তাসফীহ’ : অদ্ভুত প্রকারের এক যাদু

জাহেলী যুগের মায়েরা তাদের মেয়েদের বিয়েপূর্ব সতীত্ব রক্ষার জন্য এক ধরণের যাদুর আশ্রয় নিতো, আরবীতে যাকে বলে — ‘সিহরুত তাসফীহ’ । পাবলিক প্লেস তাই শব্দচয়ন সীমাবদ্ধতার কারণে যাদুটি কীভাবে কার্যকর করা হয়, জ্বীন কীভাবে বাঁধা প্রদান করে ইত্যাদি ইত্যাদি বিশদ বর্ণণা না দিয়ে সংক্ষেপে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করবো । সিহরুত তাসফীহ — বিয়েপূর্ব সতীত্ব রক্ষার জন্য একজন পাহারাদার জ্বীনের মাধ্যমে এ যাদু সম্পাদন করা হয়। যতদিন পর্যন্ত না যাদু নষ্ট করা হবে,...

Continue reading...

যাদু নষ্টের পড়া পানি

যাদু নষ্টের পড়া পানি তৈরি করার জন্য নিম্নোক্ত সূরা ও আয়াতগুলো সাতবার, তিনবার বা সময়ের বিচেনায় যতবার সম্ভব; পাঠ করে পানিতে ফুঁ দিতে হবে । পানির পাত্র মুখের কাছাকাছি নিয়ে পড়লে সবচেয়ে বেশি ভালো হয় । যাতে করে  আয়াত তিলাওয়াতকালীন সৃষ্ট মুখের বাতাস সরাসরি পানিতে গিয়ে পৌঁছে ।  ১) দরুদ শরীফ (১ বার) ২) সূরা ফাতিহা (৭ বার) ৩) সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও নাস (প্রত্যেকটি ৩ বার) ৪) আয়াতুল কুরসী (১...

Continue reading...

জ্বীন আছরের বিভিন্ন ধরণ

জ্বীন আছরের বিভিন্ন ধরণ হতে পারে । জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগী চিল্লাপাল্লা বা উদ্ভট আচরণ করবে বিষয়টি সবসময় এমন নাও হতে পারে । চিল্লাপাল্লা বা উদ্ভট আচরণ করা জ্বিন আক্রান্তের একটি ধরণ ও লক্ষণ মাত্র । এমনও হতে পারে যে, কেহ জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত কিন্তু বাহ্যিক কোন সমস্যা পরিলক্ষিত না হওয়ায় তার পরিবার বা আশ-পাশের মানুষ তো দূরের কথা! বিষয়টি সে নিজেই উপলব্ধি করতে পারছেনা । অথচ ভিতরে ভিতরে এ...

Continue reading...
error: Content is protected !!