শরীরের মধ্যে অবস্থান করা জিনকে জ্বালিয়ে দেয়া ও কষ্ট দেওয়ার একটি সহজ আমল

শরীরের মধ্যে অবস্থান করা জিনকে জ্বালিয়ে দেয়া ও কষ্ট দেওয়ার একটি সহজ আমল যারা দীর্ঘদিন পর্যন্ত জিন দ্বারা আক্রান্ত তারা জিনকে জ্বালিয়ে দেয়া ও কষ্ট দেওয়ার এই আমলটি রেগুলার করতে পারেন । এভাবে লাগাতার কষ্ট দিতে থাকলে একটা সময় জিনের জন্য আপনার শরীরে অবস্থান করা মারাত্মক কষ্টকর ও যন্ত্রণাদায়ক হয়ে দাঁড়াবে। এতে সে শরীর ছেড়ে বের হয়ে যেতে বাধ্য হবে । অথবা আল্লাহ পাক কবুল করলে এই আমলের বরকতে তাকে জ্বালিয়ে ফেলবেন...

Continue reading...

প্রেসক্রিপশন : ইনফার্টিলিটি ও মিসক্যারেজ

যে সমস্ত রোগীরা ইনফার্টিলিটি ও মিসক্যারেজ (বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভপাত) এর সমস্যায় ভুগছেন, কিন্তু ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করে ইনফার্টিলিটি ও মিসক্যারেজ এর পিছনে জিন, যাদু বা বদনজর ইত্যাদি কোন অসুবিধা খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারা এই প্রেসক্রিপশের আমল করতে পারেন । তবে ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করে যাদের কোন সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে তারা এই আমলের পাশাপাশি নিজ নিজ সমস্যা সংশ্লিস্ট আমলও করবেন । আল্লাহ পাক সকল নিঃসন্তান দম্পতিকে নেক সন্তান দান করেন । আমীন ।  তারিখ— ৩/২/২৫...

Continue reading...

যাদু নষ্টের সহজ রুকইয়াহ

যাদু নষ্টের সহজ রুকইয়াহ আপনি কি যাদুগ্রস্ত? পেটে যাদু থাকার সম্ভাবনা আছে? যাদু নষ্টের সহজ উপায় বলে দিলে করতে পারবেন তো ইনশাআল্লাহ্? আশাকরি এটি আপনার যাদু নষ্টের জন্য অনেক বেশি উপকারী হবে—ইনশাআল্লাহ্ । এ পদ্ধতিটি সকল প্রকার যাদু নষ্টের জন্য‌ই উপকারী। বিশেষভাবে যে প্রকারের যাদু খাওয়ানো, পান করানো, ঘ্রাণ শোঁকা ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে সরাসরি শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে। এবং শরীরের বাহিরে যাদুর বস্ত নে‌ই । এ ধরনের যাদুর ক্ষেত্রে দ্রুত ও অত্যধিক...

Continue reading...

রুক‌ইয়াহ পদ্ধতি : হাদীস দ্বারা প্রমাণিত রুক‌ইয়াহর নয়টি পদ্ধতি

রুক‌ইয়াহ পদ্ধতি : হাদীস দ্বারা প্রমাণিত রুক‌ইয়াহর নয়টি পদ্ধতি ১। শুধুমাত্র আয়াত বা দোয়া পড়ে রুক‌ইয়াহ করা । ২। আয়াত বা দোয়া পড়ে স্বাভাবিকভাবে ফুঁ দিয়ে রুক‌ইয়াহ করা । ৩। আয়াত বা দোয়া পড়ে সামান্য থুথুর সাথে রোগীর শরীরে ফুঁ দিয়ে রুক‌ইয়াহ করা । ৪। আয়াত বা দোয়া পড়তে থাকা অবস্থায় রোগীর শরীরে হাত মাসেহ করতে করতে রুক‌ইয়াহ করা । ৫। রোগীর ব্যথা বা অসুবিধার জায়গায় হাত রেখে আয়াত বা দোয়া পড়া,...

Continue reading...

আল মাস্সুল ওয়াহমী— জ্বীনের রোগীদের যে প্রকার সম্পর্কে অনেকেই জ্ঞাত নন!

‘আল মাস্সুল ওয়াহমী’ সম্পর্কে জানানোর পূর্বে সংক্ষেপে মনোদৈহিক রোগ সম্পর্কে ধারণা দেয়া সমীচিন মনে করছি। বিস্তারিত সংজ্ঞায় না গিয়ে খুবই সংক্ষেপে যদি বলি— মনের রোগ যখন প্রকট আকার ধারণ করে দেহের উপরেও তার প্রভাব বিস্তার করে তাকেই মনোদৈহিক রোগ বলা হয় । এমন‌ই একটি মনোদৈহিক রোগের বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে—আল মাস্সুল ওয়াহমী । সংক্ষেপে এর সংজ্ঞা এভাবে বলা যায়— (মনস্তাত্ত্বিক কারণে) ব্যক্তির আচরণ জ্বীনের রোগীর মতো, কিন্তু মূলত তাঁর মধ্যে জ্বীনের আছর নেই ।...

Continue reading...
error: Content is protected !!