প্রশ্ন : জানাযা এবং দাফনের পরে মৃত ব্যক্তির জন্য সম্মিলিতভাবে হাত উঠিয়ে দোয়া করার হুকুম কি?

উত্তর : জানাযা নামাজের পরে হাত উঠিয়ে সম্মিলিত দোয়া করা শরয়ী কোন দলীল দ্বারা প্রমানিত নয় বিধায় তা বিদআ’ত । : দলীল :ما فى مرقاة المفاتيح شرح مشكوة المصابيح : كتاب الجنائز، باب المشى بالجنازة، تحت رقم الحديث 1687، ج4، ص64، (طبع مكتبة امدادية ملتان) ولا يدعو للميت بعد صلوة الجنازة، لانه يشبه الزيادة فى صلوة الجنازة –وفى البزازية : (على الهندية ج4، ص 80) لايقوم بالدعاء بعد صلوة الجنائز،لانه دعا مرة...

Continue reading...

নখ কাটার সুন্নাত তরীকা কী?

প্রশ্ন: নখ কাটার সুন্নাত তরীকা কী? উত্তর: নখ কাটার নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম হাদিস শরিফে বর্ণিত নেই। তবে হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুতা পরিধান, চুল আঁচড়ানো, পবিত্রতা অর্জনসহ সকল কাজে ডান দিক পছন্দ করতেন। (বুখারী) উক্ত হাদিসের আলোকে নখ কাটার ক্ষেত্রেও ডান দিক দিয়ে শুরু করা সুন্নাত সাব্যস্ত হয়। অর্থাৎ প্রথমে ডান হাতের নখ ডান দিক দিয়ে (কনিষ্ঠা আঙুল থেকে) কাটা শুরু করবে। অতঃপর পর্যায়ক্রমে বাম হাতের নখ,...

Continue reading...

ঠাট্টা করে তালাক দেয়ার হুকুম

প্রশ্ন : আমার স্ত্রীর সাথে হাসি-তামাশার এক পর্যায়ে তাকে বলে ফেলি “তুমি তালাক” । কিন্তু আমি জানতামনা যে, ঠাট্টা করে তালাক দিলেও তালাক পতিত হয়ে যায় । এমতাবস্থায় কি আমার স্ত্রী তালাক হয়ে গিয়েছে? : الجواب باسم ملهم الصواب هو الموفق واليه الماب : উত্তর : ফিকহ শাস্ত্রের গ্রহণযোগ্য কিতাবাদি অধ্যয়ন কারার দ্বারা এ কথা প্রতিয়মান হয় যে, ঠাট্টা করে তালাক দিলেও তালাক পতিত হয়ে যায় । সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত বর্ণনা অনুযায়ী...

Continue reading...

যাদেরকে যাকাত দেয়া যাবে এবং যাদেরকে দেয়া যাবেনা

আত্মীয়-স্বজন যদি যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত হয় তাহলে তাদেরকে যাকাত দেওয়াই উত্তম। ভাই, বোন, ভাতিজা, ভাগনে, চাচা, মামা, ফুফু, খালা এবং অন্যান্য আত্মীয়দেরকে যাকাত দেওয়া যাবে। তবে নিজ পিতা-মাতা, দাদা-দাদী, নানা-নানী, পরদাদা প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ যারা তার জন্মের উৎস তাদেরকে নিজের যাকাত দেওয়া জায়েয নয়। এমনিভাবে নিজের ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতিন এবং তাদের অধস্তনকে নিজ সম্পদের যাকাত দেওয়া জায়েয নয়। স্বামী এবং স্ত্রী একে অপরকে যাকাত দেওয়া জায়েয নয়। আত্মীয়দের মধ্যে যাদেরকে যাকাত দেয়া যাবে আপন...

Continue reading...

কসম ভঙ্গ করা

মুসলমান কখনো মিথ্যা অঙ্গিকার করতে পারেনা । তার মুখের প্রতিটি বচনই একেকটি অঙ্গিকার । আর কৃত অঙ্গিকার ভঙ্গ করা কোন ব্যক্তিত্ববান মুসলামনের জন্য শোভনীয় নয় । মুসলমানের প্রতিটি কথাই এমনিতেই গুরুত্বপূর্ণ । তথাপি সে কথার আরো গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলার জন্য ক্ষেত্রবিশেষ আমরা আল্লাহর নামে কসম খেয়ে থাকি । আল্লাহর নামে কসম খাওয়া মানে হচ্ছে, আমি আমার সবচেয়ে আপন ও আমার কাছে সবচেয়ে বেশি সম্মানের অধিকারী সত্ত্বার সম্মান ও মহব্বতের সাথে বিষয়টিকে সম্পৃক্ত...

Continue reading...
error: Content is protected !!