মেয়েদের মাসিক নামাজ বন্ধের সময়টাতে কুরআন তিলাওয়াত নিষিদ্ধ হলেও সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন দোয়া পাঠ করা কিন্তু নিষিদ্ধ নয়, বরং জ্বিন-যাদূর রোগীদের জন্য এই সময়ে হেফাজতের আমল করা আরো বেশি জরুরি ।
Continue reading...কবিরাজদের ভণ্ডামি
হাজিরা দেখা, নাম গুনে দেখা বা ইস্তেখারার মাধ্যমে কারো সমস্যা বা রোগব্যাধি সম্পর্কে জানা যায় না, এগুলো শিরক এবং ভাওতাবাজি ।
Continue reading...নাস্তিক বা অমুসলিম জ্বীন
কালিমার জিকির নাস্তিক জ্বিনকে ধ্বংস করে দেয় । সুতরাং যারা নাস্তিক অথবা অমুসলিম জিন দ্বারা আক্রান্ত, তারা উচ্চ আওয়াজে খুব বেশি বেশি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ” এই জিকির করার চেষ্টা করবেন ।
Continue reading...হাসাদের লক্ষণ
নামাজের মধ্যে অতিরিক্ত হাই আসা শয়তানের হাসাদের অন্যতম একটি লক্ষণ । ভুক্তভোগীদের উচিত বেশি বেশি “‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম” বা এ জাতীয় অর্থবোধক বাক্যের মাধ্যমে অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া । নামাজ শুরুর পূর্বে ২১/৭/৩ বা সমস্যার ধরণ অনুযায়ী কমবেশি সংখ্যক বার পড়ে নিবে । পাশাপাশি সূরা আ’রাফ এর ২০০ নং আয়াত বা সূরা হা-মীম সাজদাহ এর ৩৬নং আয়াত বেশি তিলাওয়াত করলে আশাকরি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ্ ।
Continue reading...উম্মে সিবয়ান জ্বীন
উম্মে সিবয়ান (أم الصبيان) বলতে কোন জ্বিনের অস্তিত্ব সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয় । এ সম্পর্কে বর্ণিত একমাত্র হাদীসিটি জ্বাল । (উক্ত হাদীসের রাবী (مروان بن سالم الغفاري) মাতরুক এবং (يحيى بن العلاء) হাদীস বানোয়াটের দোষে অভিযুক্ত ।) তথাপি উক্ত হাদীসে বর্ণিত (أم الصبيان) শব্দ দ্বারা আদৌ (التابعة) উদ্দেশ্য এটাও চূড়ান্ত নয় । এ ব্যাপারে একাধিক মত রয়েছে । শৈশবকাল থেকে মানুষের সাথে বেড়ে ওঠে সহীহ হাদীসের আলোকে এমন একমাত্র জ্বিন হচ্ছে...
Continue reading...