সাতবার, তিনবার বা সময়ের বিচেনায় যত বেশি সংখ্যকবার সম্ভব নিম্নোক্ত আয়াতগুলো পাঠ করে পানিতে ফুঁ দিবেন । অতঃপর উক্ত পানি দ্বারা এমনভাবে গোসল করবেন যেন মাথার চুল থেকে নিয়ে পায়ের নখ পর্যন্ত শরীরের প্রত্যেকটি জায়গায় উক্ত পানি পৌঁছে যায়। নিজ নিজ রাক্বির পরামর্শ অনুযায়ী তিন দিন/সাত দিন অথবা রোগীর পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি যতদিনের পরামর্শ দিবেন ততদিন গোসল করবেন । বিঃদ্রঃ উক্ত পানির সাথে জমজম, বৃষ্টি ও গোলাপের পানি বা যেকোন একটা মিশিয়ে নিতে...
Continue reading...মুফতী মুহাম্মাদ আল-আমীন
চাঁদ দেখার দোয়া
নবী কারীম (স.) চাঁদ দেখে নিম্নাক্ত দোয়া পাঠ করতেন- আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-আমনি ওয়াল ঈমান, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লাহু । (সুনানে দারিমী ১৭৩০) মুসনাদে আহমদ (১৩৯৭) ও সুনানে তিরমিযী (৩৪৫১) এর বর্ণনায় বিল-আমনি এর পরিবর্তে ‘বিল-ইউমনি’ এসেছে । যেকোন একভাবে পড়লেই হবে ইনশাআল্লাহ্ । আবু দাঊদের (৫০৯২) বর্ণনায় দুয়াটি এভাবে এসেছে- হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, আমানতু বিল্লাযি...
Continue reading...যখমের নববী চিকিৎসা
যখমের স্থানে মেহেদী ব্যবহার করা তিব্বে নববী তথা নবী (আ.) থেকে প্রমানিত একটি চিকিৎসা । আলী ইবন উবায়দুল্লাহ তাঁর দাদী সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, আর সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমত করতেন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই তলোয়ারের বা কাঁটা ইত্যাদি দ্বারা যখমী হয়েছে আমাকে তাতে মেহেদী লাগাতে নির্দেশ দিয়েছেন। সুনানে তিরমিযী (২০৫৪)
Continue reading...বাচ্চাদের রুকইয়াহ
বড়দের তুলনায় শিশু বাচ্চারা বদনজরে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে । এবং এদের বেশিরভাগ প্যারানরমাল সমস্যাই বদনজর কেন্দ্রিক হয়ে থাকে । বাচ্চারা বদনজরে আক্রান্ত হলে তাদের কিছু লক্ষণ দেখা যাবে । যেমন— হঠাৎ করেই বাচ্চারা মায়ের বুকের দুধ/ খাবার না খাওয়া অনবরত অস্বাভাবিক কান্নাকাটি করা দিব্যি সুস্থ বাচ্চা হঠাৎ করেই নেতিয়ে পড়া একদম হুট করেই স্বাস্থ্যহানি হওয়া হুট করেই গায়ের রং পরিবর্তন হয়ে কালো হয়ে যাওয়া জেদ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি । এসব সমস্যাগুলো...
Continue reading...বদনজরের রুকইয়াহ
হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (স.) কে বদনজরের রুকইয়াহ করতাম, আমি তার বুকের উপরে আমার হাত রেখে বলতাম— إمْسَحِ الْبَأسَ رَبَّ النَّاسِ، بِيَدِكَ الشِّفَاءُ، لَا كَاشِفَ لَهُ إِلَّا أَنْتَ বাংলা উচ্চারণ— ইমসাহিল বা’সা রব্বান নাসি, বি-ইয়াদিকাশ শিফাউ, লা-কাশিফা লাহু ইল্লা আংতা। অর্থ— হে মানুষের প্রতিপালক আল্লাহ! অসুস্থতাকে দূর করে দিন, আপনার হাতেই সুস্থতা রয়েছে, আপনি ছাড়া আর কেহ তার রোগ দূরকারী নেই । (মুসনাদে আহমাদ- ২৪৯৯৫) ...
Continue reading...