মুফতী মুহাম্মাদ আল-আমীন

তাবিজ বা যাদুর জিনিস নষ্ট করার সঠিক পদ্ধতি

তাবিজ বা যাদুর জিনিস নষ্ট করার সঠিক পদ্ধতি তাবিজ বা সন্দেহজনক কোনো যাদুর বস্তু পেলে হাতে গ্লাভস পরে বা পলিথিন পেঁচিয়ে সতর্কতার সাথে খুলে ভেতরের মূল অংশ বের করুন। মাস্ক পরে নিলে আরও ভালো — যাতে ঘ্রাণ নাকে পৌঁছাতে না পারে। এরপর নিচের রুকইয়াহ সেটটি পাঠ করে পানিতে ফুঁ দিয়ে পানি তৈরি করুন — দুরুদ শরীফ সূরা ফাতিহা তিন কুল — সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস আয়াতুল কুরসি সূরা আ’রাফ — ১১৭...

Continue reading...

যাদের সন্তান হচ্ছেনা!

দীর্ঘদিন যাবত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিচ্ছেন, ডাক্তারি ডায়াগনোসিসে স্বামী-স্ত্রীর কারোই কোন সমস্যা ধরা পড়ছেনা, এতদাসত্ত্বেও যাদের সন্তান হচ্ছেনা! আপনার জন্য প্রথম পরামর্শ হচ্ছে—নিয়মিত দোয়া তাকদীরের এ ফয়সালার ওপর ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহ পাকের কাছে বেশি বেশি দুয়া করতে থাকুন । হয়তবা এ বিলম্ব বা না দেয়ার মাঝেই আল্লাহ আপনাদের জন্য কোন কল্যান রেখেছেন । কুর‌আনে নিঃসন্তান এক দম্পতির ঘটনা বর্ণিত হয়েছে— যেখানে স্ত্রী ছিলেন বন্ধ্যা, স্বামী ছিলেন বয়োবৃদ্ধ । এতদাসত্ত্বেও দোয়ার বরকতে...

Continue reading...

বিচ্ছু বা এই জাতীয় বিষাক্ত পোকামাকড়ের দংশনের রুকইয়াহ

একটি পাত্রে কিছু পানি নিয়ে তাতে কিছুটা লবন মিক্স করতে হবে, সম্ভব হলে বাথ সল্ট মিক্স করতে পারলে বেশি ভালো । অতঃপর আক্রান্ত স্থান উক্ত পানির মধ্যে চুবিয়ে রাখবে বা আক্রান্ত স্থানে উক্ত পানি ঢালতে থাকবে, এবং ব্যাথা, জ্বালাপোড়া বা দংশনের ক্রিয়া দূর না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ বিশ্বাস ও একনিষ্ঠতার সাথে সূরা ইখলাস ও সূরা ফালাক-নাস পাঠ করতে থাকবে । খুব শিঘ্রই বিষাক্ত পোকামাকড়ের দংশনের সকল প্রকার কষ্ট দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ...

Continue reading...

বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভের সন্তান নষ্ট করার যাদু

বন্ধ্যাত্বের রোগ পুরুষ বা মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে । বন্ধ্যাত্ব দুই প্রকার– এক. সৃষ্টিগত স্থায়ী বন্ধ্যাত্ব । যার চিকিৎসা সম্ভব নয় । দুই. কোনো রোগের কারণে সৃষ্ট অস্থায়ী বন্ধ্যাত্ব । এই প্রকার বন্ধ্যাত্বের অবশ্যই চিকিৎিসা সম্ভব । পুরুষ হোক বা নারী উভয়েই দুই কারণে অস্থায়ী বন্ধ্যাত্বের শিকার হতে পারে । এক. শারীরিক অসুস্থতার জন্য । দুই. শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা সত্ত্বেও জিন-যাদুর কারণেও বন্ধ্যাত্বের শিকার হতে পারে । পুরুষের অস্থায়ী বন্ধ্যাত্ব সন্তান...

Continue reading...

বদনজরের লক্ষণসমূহ

১) ব্যবসা, চাকুরী, আয়রোজগারে কোনোভাবেই উন্নতি না হওয়া; দিন দিন সবকিছু কেমন অবনতির দিকে যাওয়া ২) পেশা সংশ্লিষ্ট কাজ যাতে ভাল দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেটা করতে গেলেই ঝামেলা সৃষ্টি হওয়া বা অসুস্থ হয়ে যাওয়া ৩) কাজকর্মে মনোযোগ না বসা৪) আত্মনির্ভরশীলতা হারিয়ে ফেলা৫) ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া৬) কাজকর্মে ঘনঘন ভুল করা৭) লাল চোখ ওয়ালা কিংবা বোরকা পরিহিত চোখ খোলা মানুষ স্বপ্নে দেখা ৮) মরা মানুষ স্বপ্নে দেখা বা নিজেকে মৃত দেখা৯)...

Continue reading...
error: Content is protected !!