এক বালতি পানি নিবেন । সম্ভব হলে জমজম, বৃষ্টি বা সাগরের পানি । অন্যথায় সাধারণ পানির সাথে সামান্য জমজম, বৃষ্টি বা সাগরের পানি মিক্স করে নিবেন । তাও সম্ভব না হলে যেকোনো পবিত্র পানি নিলেই হবে । অতঃপর উক্ত পানিতে হাত ডুবিয়ে রেখে (ঐচ্ছিক) নিম্নোক্ত দোয়া ও সূরাগুলো পাঠ করে পানিতে ফুঁ দিবেন । অতঃপর উক্ত পানি দিয়ে তিনবার কুলি করবেন, তিনবার নাকে পানি দিবেন এবং অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করবেন ।...
Continue reading...মুফতী মুহাম্মাদ আল-আমীন
প্যারা-নরমাল রোগ বলতে কী বোঝায়?
যার প্রাণ আছে তার রোগ-ব্যাধিও আছে । আর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহিও ওয়া সাল্লাম বলেন, (ভাবার্থ) ‘প্রত্যেক রোগেরই ঔষধ আছে । রোগ অনুযায়ী উপযুক্ত ঔষধ নির্বাচন করা হলে আল্লাহ পাক আরোগ্য দান করেন । সহীহ মুসলিম : ২২০৪ । প্রাণ থাকার সুবাদে মনুষ্য প্রাণির ন্যায় চতুষ্পদ প্রাণিরও অসুখ-বিসুখ হয়ে থাকে । উভয় প্রাণির অসুখগুলোই দুই ক্যাটাগরির । ১) নরমাল ২) প্যারা-নরমাল নরমাল অসুখ বা রোগ-ব্যাধি বলতে আমরা বুঝি- মানুষের স্বভাবজাত রোগ ব্যাধি ।...
Continue reading...যাদুর পরিচয়, প্রকার ও লক্ষণ
যাদুর পরিচয়, প্রকার ও লক্ষণ যাদুর আরবি প্রতিশব্দ ‘সিহর’। এর আভিধানিক অর্থ— কোনো বস্তুকে তার স্বরূপ থেকে বিচ্যুত করা। যেমন: সুস্থতাকে রোগ-ব্যাধিতে পরিবর্তন করা। যাদু হলো এমন একটি বিষয়, যার উৎস অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও স্পর্শকাতর। এর মাধ্যমে বাতিলকে হকের আকৃতি দেওয়া হয় এবং কোনো বস্তুকে এমন দৃষ্টিনন্দন রূপে উপস্থাপন করা হয়, যাতে লোকজন অবাক হয়ে যায়। যাদু তথা সিহর হচ্ছে শয়তান ও যাদুকরের মধ্যকার এক ধরনের চুক্তি। এই চুক্তি অনুযায়ী একজন যাদুকর...
Continue reading...জ্বিন আছরের লক্ষণ সমূহ
জ্বিনের আছরের লক্ষণগুলো দুইভাবে বিভক্ত- ১) নিদ্রাবস্থার লক্ষণ ২) জাগ্রত অবস্থার লক্ষণ নিদ্রাবস্থার লক্ষণসমূহঃ ১) নিদ্রাহিনতা : সারারাত ঘুম না হওয়া অথবা বিছানায় দীর্ঘসময় গড়াগড়ি করার পরে সামান্য ঘুম হওয়া । ২) অস্থিরতা : রাতে বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া । ৩) স্লিপ প্যারালাইসিস বা ঘুমের মধ্যে পক্ষাঘাত (বোবায় ধরা) : ঘুমের মধ্যে কেউ কস্ট দিচ্ছে বা চেপে ধরছে এমনটা মনে হওয়া এবং জাগ্রত হওয়ার চেস্টা করার পরেও জাগ্রত হতে না পারা ।...
Continue reading...মানসিক ভারসাম্যহীন একজন রোগীর রুকইয়াহ
কুরআনের মু’জেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) কুরআনিক চিকিৎসার সুবাদে আল্লাহ অনেক চাক্ষুষ অলৌকিক ঘটনা দেখিয়েছেন ও দেখাচ্ছেন । ভিডিওর ভদ্রলোক দীর্ঘ কয়েক বছর পর্যন্ত মানসিক ভারসাম্যহীন জীবন যাপন করছিলেন । এতটাই উগ্র ছিলেন যে, তাকে আলাদা ঘরে বন্দি করে রাখতে হতো, রোগীর বাবা-মা পর্যন্ত তার কাছাকাছি যেতে ভয় পেত । বেশিরভাগ সময়ই বস্ত্রহীন অবস্থায় থাকতো । তার বাবা আমার সাথে যোগাযোগ করেন এবং ২ মাসের ব্যবধানে দুটি রুকইয়াহ সেশন নেয়া হয় এবং রুকইয়াহ অডিও...
Continue reading...