রুকইয়াহ

কেস স্টাডি : জ্বীনের প্রভাবে চারিত্রিক অবক্ষয়

গতকালের ঘটনা— ২৩/০৫/২৩ইং । রোগীর সাথে থাকা জ্বীনটি কেঁদে কেঁদে বললো— ছেড়িডা অনেক ভালা, আমারে পাঠাইছে ওরে নষ্ট করবার লাইগ্যা, কিন্তু ছেড়ি খা—লি আমল করে, এত চেষ্টা করেও ওরে নষ্ট করতে পারলাম না, সূরা ইয়াসিন না কি জানি সূরা— খালি ঐডা পড়তে থাহে । আমল করে আমারে খালি কষ্ট দেয় । আমি ওরে নষ্ট করে পারি না দেইখা যাদুকর আবার আমারে মারে । আমি কিত্তাম! আমারে ছাইড়া দেন ভাই……… ঘটনার প্রেক্ষাপট— ধার্মিক...

Continue reading...

আমাদের সেবাসমূহ

 রুকইয়াহ কীসের জন্য এবং কীসের জন্য নয়! এ বিষয়টিই অনেকের কাছে ক্লিয়ার নয় । অনেক ভাইয়েরা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে— পছন্দের মানুষকে বিয়ে করার জন্য রুকইয়াহ করতে চান, অনেকে আবার হারানো জিনিস খুঁজে পাওয়া বা পাওনা টাকা আদায়ের জন্য রুকইয়াহ করতে চান, কেউবা সন্তান বা স্বামী/স্ত্রীকে বশ করার জন্য রুকইয়া করতে চান— তাদের উদ্দেশ্যেই আজকের এই আলোচনা ।  প্রশ্ন— কোন কোন রোগ বা সমস্যার জন্য রুকইয়াহ চিকিৎসা করা হয়? উত্তর— সংক্ষিপ্ত উত্তরটি...

Continue reading...

কেস স্টাডি : কবরের যাদু

যাদুর মূল উৎসের যতটা কাছাকাছি পৌঁছা যাবে, আল্লাহ চাইলে তত দ্রুত তার সমাধানে পৌঁছা যাবে । অনেক রোগী আছেন যারা দীর্ঘদিন যাবত যাদুতে আক্রান্ত । অনেক পুরনো যাদু হওয়ায় লম্বা সময় ধরে রুকইয়াহ করেও কাঙ্খিত ফলাফল পাচ্ছেন না, তাদের উচিত যাদুর মূল উৎসের কাছাকাছি পৌঁছার চেষ্টা করা । উৎস জানা থাকলে গিয়ে সেখানে গিয়ে কিছুদিন রুকইয়াহ করা । উদাহরণস্বরুপ— আপনি বর্তমানে শহরে বসবাস করছেন, আর সেখানে থেকেই রুকইয়াহ করছেন । কিন্তু আপনাকে...

Continue reading...

জ্বীনের রোগীর চিকিৎসায় আজান

বিপদজনক পরিস্থিতিতে জ্বীনে আক্রান্ত রোগীকে কন্ট্রোলে আনতে শরীরের সর্বশক্তি ব্যবহার করে উচ্চ আওয়াজে আজান দিন । বছর তিনেক আগের ঘটনা, জ্বীনে আক্রান্ত একজন মেয়ে রোগীকে আমার কাছে নিয়ে আসা হলো । রুক‌ইয়াহ করে পাওয়া গেলো মেয়েটি হত্যার যাদুতে আক্রান্ত। তার‌ই বাবার কবরে যাদুর বস্তু পুঁতে রেখে তাকে যাদু করা হয়েছিল। সাথে আসা যাদুর খাদিম জ্বীনটি ছিলো মারাত্মক শক্তিশালী ও আক্রমণাত্মক। অবস্থার সিরিয়াসনেস দেখে প্রথম দিনেই লং সেশন রুক‌ইয়াহ করলাম। দীর্ঘসময় পরে জ্বীনটি...

Continue reading...

স্পিচ ডিলে বা শিশুর দেরিতে কথা বলা: করণীয় আমল

স্পিচ ডিলে বা শিশুর দেরিতে কথা বলা: করণীয় আমল যেসব শিশুর শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও উপযুক্ত বয়স অতিক্রম করার পরও কথা বলতে দেরি হয়, তাদেরকে প্রতিদিন ঘুমানোর আগে নিম্নোক্ত আয়াতগুলো অন্তত ৩ বার তিলাওয়াত করে ফুঁ দেওয়া— পড়া পানি ও মধু খাওয়ানোর অভ্যাস করুন। সাধারণ পানির পরিবর্তে জমজমের পানি, বৃষ্টির পানি অথবা এ দুটির মিশ্রণ ব্যবহার করা উত্তম। এছাড়া শিশু খেতে সক্ষম হলে খাবার উপযোগী অলিভ অয়েল, কালোজিরার তেল কিংবা কালোজিরার দানার...

Continue reading...
error: Content is protected !!