জ্বিনের আছরকে আরবীতে বলে ‘মাস’ (مس) । এটি আবার কয়েক প্রকার । তন্মধ্যে মূল হচ্ছে তিন প্রকার । ১) মাস্ আরেজি- জ্বিন মাঝে মাঝে বডিতে আসে আবার চলে যায় । বডিতে থাকাকালীন রোগী অসুস্থ হয়, জ্বিন চলে গেলে আবার একাকীই সুস্থ হয়ে যায় । ২) মাস্ হাকিকী – স্থায়ীভাবে জিন বডিতে বাসা গেড়ে বসে । ৩) মাস্ খারিজি – জ্বিন বডিতে প্রবেশ না করেই দূর থেকে রোগীকে কষ্ট দেয় । মাস্ বা...
Continue reading...রুকইয়াহ
ভাবা উচিত!
শারীরিক ডাক্তার দেখানোর প্রয়োজন পড়লে এমবিবিএস, এফসিপিএস নাকি এমডি, ডাক্তারের এসব শিক্ষাগত যোগ্যতাগুলো আমরা ঠিকই খুঁজে দেখি । কিন্তু আধ্যাত্মিক ডাক্তার দেখাতে গেলে তখন জাস্ট মাথায় একটা টুপি থাকলেই তার উপরে নির্ভর করে বসি, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, তার আমল-আখলাক, কুরআন হাদীসের জ্ঞান, তিলাওয়াতের শুদ্ধতা এগুলো আর খোঁজার প্রয়োজন মনে করিনা ।
Continue reading...ভণ্ড কবিরাজ থেকে সাবধান
আগুনের তৈরি দুষ্ট আত্মার (জ্বিন-শয়তান) উপদ্রব থেকে বাঁচতে মাটির তৈরি দুষ্ট আত্মার (ভণ্ড কবিরাজ) শরণাপন্ন না হয়ে, কুরআন-হাদীসের নূরে আলোকিত আত্মা ওয়ালাদের (আলেমদের) শরণাপন্ন হোন । নামায-কালাম নেই, পর্দা-পুশিদা নেই, শুদ্ধভাবে কুরআনের একটি আয়াত পড়ার যোগ্যতা নেই; এসব যদু-মদু-কদুরা (কবিরাজরা) আপনার জ্বিন তাড়াতে তো পারবেই না; উল্টা আপনার ঈমান হরণ করে আপনাকে মুশরিক বানিয়ে ছাড়বে । ডাক্তার নির্বাচনের পূর্বে যেমন স্ব-সাবজেক্টে এফসিপিএস না এমডি, প্রফেসর নাকি সহঃ প্রফেসর, নাকি বিভাগীয় প্রধানি ইত্যাদি...
Continue reading...রুকইয়াহ গোসল
স্মরণ কর, যখন তিনি (আল্লাহ) তাঁর পক্ষ থেকে প্রশান্তির জন্য তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেছিলেন এবং আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেছিলেন, তোমাদেরকে তা দিয়ে পবিত্র করার জন্য, তোমাদের থেকে শয়ত্বানী কুমন্ত্রণা দূর করার জন্য, তোমাদের দিলকে মজবুত করার জন্য আর তা দিয়ে তোমাদের পায়ের ভিত শক্ত করার জন্য। (সূরা আনফাল (৮), আয়াত-১১) উপরোক্ত আয়াতটি বদরযুদ্ধকে কেন্দ্র করে নাযিল করা হয়েছে ।আয়াতের মাধ্যমে আমরা জানতে পেলাম, আল্লাহ রব্বুল আলামীন বৃষ্টি বর্ষণের মাধ্যমে সাহাবাদের অন্তর...
Continue reading...সাপ, কুকুর ও বিড়ালের ‘নজর’
একজন মানুষ অপর মানুষ ও জ্বীনদের বদনজর দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে তা কমবেশি আমরা সকলেই জানি । আবার অন্যান্য প্রাণীও মানুষের ও জ্বীনদের বদনজর দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে এটাও অনেকে জেনে থাকবেন । তবে মানুষ যে সাপ, কুকুর ও বিড়াল ইত্যাদির নজর দ্বারাও আক্রান্ত হতে পারে এ বিষয়টি আমরা অনেকেই জানি না । বিষয়টি অবশ্য মতভেদপূর্ণ । বেশিরভাগ ওলামায়ে কেরাম সমর্থন করলেও এর বিপক্ষেও কিছু ওলামায়ে কেরাম মতামত ব্যক্ত করেছেন । যারা...
Continue reading...