উম্মে সিবয়ান (أم الصبيان) বলতে কোন জ্বিনের অস্তিত্ব সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয় । এ সম্পর্কে বর্ণিত একমাত্র হাদীসিটি জ্বাল । (উক্ত হাদীসের রাবী (مروان بن سالم الغفاري) মাতরুক এবং (يحيى بن العلاء) হাদীস বানোয়াটের দোষে অভিযুক্ত ।) তথাপি উক্ত হাদীসে বর্ণিত (أم الصبيان) শব্দ দ্বারা আদৌ (التابعة) উদ্দেশ্য এটাও চূড়ান্ত নয় । এ ব্যাপারে একাধিক মত রয়েছে । শৈশবকাল থেকে মানুষের সাথে বেড়ে ওঠে সহীহ হাদীসের আলোকে এমন একমাত্র জ্বিন হচ্ছে...
Continue reading...জ্বীন
জ্বিনের আছর
জ্বিনের আছরকে আরবীতে বলে ‘মাস’ (مس) । এটি আবার কয়েক প্রকার । তন্মধ্যে মূল হচ্ছে তিন প্রকার । ১) মাস্ আরেজি- জ্বিন মাঝে মাঝে বডিতে আসে আবার চলে যায় । বডিতে থাকাকালীন রোগী অসুস্থ হয়, জ্বিন চলে গেলে আবার একাকীই সুস্থ হয়ে যায় । ২) মাস্ হাকিকী – স্থায়ীভাবে জিন বডিতে বাসা গেড়ে বসে । ৩) মাস্ খারিজি – জ্বিন বডিতে প্রবেশ না করেই দূর থেকে রোগীকে কষ্ট দেয় । মাস্ বা...
Continue reading...জ্বীন আছর করার বিশেষ কিছু মুহুর্ত
ইস্তেঞ্জা, কাপড় পরিবর্তন এবং স্বামী-স্ত্রীর একান্ত মুহূর্তে যেহেতু সতর খুলতে হয়, সেকারণে সময়গুলোতে দোয়া পড়া না হলে জ্বীন-শয়তানের কু-নজর লাগার বেশ সম্ভাবনা থাকে । যৌন হ্যারেজকারী জ্বিনগুলো এ সময় নারী-পুরুষের দেহের বা অঙ্গবিশেষের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। অতএব, জ্বীনের কু-নজর থেকে বাঁচতে এই তিনসময়ের দুয়াগুলো বিশেষ গুরুত্বের সাথে পড়া উচিত। পাশাপাশি ঘরে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময় অবশ্যই দোয়া পড়া । একান্ত দোয়া না পারলে কমপক্ষে শুধু “বিসমিল্লাহ” বলে হলেও ঘরে...
Continue reading...