নবী কারীম (স.) চাঁদ দেখে নিম্নাক্ত দোয়া পাঠ করতেন- আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-আমনি ওয়াল ঈমান, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লাহু । (সুনানে দারিমী ১৭৩০) মুসনাদে আহমদ (১৩৯৭) ও সুনানে তিরমিযী (৩৪৫১) এর বর্ণনায় বিল-আমনি এর পরিবর্তে ‘বিল-ইউমনি’ এসেছে । যেকোন একভাবে পড়লেই হবে ইনশাআল্লাহ্ । আবু দাঊদের (৫০৯২) বর্ণনায় দুয়াটি এভাবে এসেছে- হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, আমানতু বিল্লাযি...
Continue reading...যখমের নববী চিকিৎসা
যখমের স্থানে মেহেদী ব্যবহার করা তিব্বে নববী তথা নবী (আ.) থেকে প্রমানিত একটি চিকিৎসা । আলী ইবন উবায়দুল্লাহ তাঁর দাদী সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, আর সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমত করতেন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই তলোয়ারের বা কাঁটা ইত্যাদি দ্বারা যখমী হয়েছে আমাকে তাতে মেহেদী লাগাতে নির্দেশ দিয়েছেন। সুনানে তিরমিযী (২০৫৪)
Continue reading...বাচ্চাদের বদনজরের রুকইয়াহ
বাচ্চাদের বদনজরের রুকইয়াহ বড়দের তুলনায় শিশুরা বদনজরে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। এবং এদের বেশিরভাগ অস্বাভাবিক সমস্যাই বদনজরকেন্দ্রিক হয়ে থাকে। বাচ্চারা বদনজরে আক্রান্ত হলে তাদের কিছু লক্ষণ দেখা যাবে। যেমন— হঠাৎ মায়ের বুকের দুধ বা খাবার খেতে না চাওয়া। অস্বাভাবিকভাবে অনবরত কান্নাকাটি করা। সম্পূর্ণ সুস্থ শিশু হঠাৎ নেতিয়ে পড়া। অল্প সময়ের মধ্যেই স্বাস্থ্যহানি হওয়া। গায়ের রঙে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দেওয়া। জেদ বা খিটখিটে স্বভাব বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি। এসব সমস্যার অনেক ক্ষেত্রেই বদনজরের প্রভাব...
Continue reading...বদনজরের রুকইয়াহ
হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (স.) কে বদনজরের রুকইয়াহ করতাম, আমি তার বুকের উপরে আমার হাত রেখে বলতাম— إمْسَحِ الْبَأسَ رَبَّ النَّاسِ، بِيَدِكَ الشِّفَاءُ، لَا كَاشِفَ لَهُ إِلَّا أَنْتَ বাংলা উচ্চারণ— ইমসাহিল বা’সা রব্বান নাসি, বি-ইয়াদিকাশ শিফাউ, লা-কাশিফা লাহু ইল্লা আংতা। অর্থ— হে মানুষের প্রতিপালক আল্লাহ! অসুস্থতাকে দূর করে দিন, আপনার হাতেই সুস্থতা রয়েছে, আপনি ছাড়া আর কেহ তার রোগ দূরকারী নেই । (মুসনাদে আহমাদ- ২৪৯৯৫) ...
Continue reading...নাকের সমস্যায় নববী চিকিৎসা
নাকের ঘ্রাণ শক্তি কমে যাওয়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, বা নাকের সাথে সম্পৃক্ত যেকোন সমস্যায় এটি ব্যবহার করা যেতে পারে ইনশআল্লাহ । আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কালজিরা হল মৃত্যু ছাড়া সব রোগের ঔষধ। কাতাদা (রহঃ) বলেনঃ প্রতিদিন একুশটি কালজিরার দানা নিবে। একটি কাপড়ের টুকরায় তা রেখে পানিতে ভেজাবে এবং প্রতিদিন নাকের ছিদ্র পথ দিয়ে তা ব্যবহার করবে। প্রথম দিন নাকের ডান ছিদ্রে দুই ফোটা এবং বাম ছিদ্রে এক...
Continue reading...