বিচ্ছু বা এই জাতীয় বিষাক্ত পোকামাকড়ের দংশনের রুকইয়াহ

একটি পাত্রে কিছু পানি নিয়ে তাতে কিছুটা লবন মিক্স করতে হবে, সম্ভব হলে বাথ সল্ট মিক্স করতে পারলে বেশি ভালো । অতঃপর আক্রান্ত স্থান উক্ত পানির মধ্যে চুবিয়ে রাখবে বা আক্রান্ত স্থানে উক্ত পানি ঢালতে থাকবে, এবং ব্যাথা, জ্বালাপোড়া বা দংশনের ক্রিয়া দূর না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ বিশ্বাস ও একনিষ্ঠতার সাথে সূরা ইখলাস ও সূরা ফালাক-নাস পাঠ করতে থাকবে । খুব শিঘ্রই বিষাক্ত পোকামাকড়ের দংশনের সকল প্রকার কষ্ট দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ...

Continue reading...

বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভের সন্তান নষ্ট করার যাদু

বন্ধ্যাত্বের রোগ পুরুষ বা মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে । বন্ধ্যাত্ব দুই প্রকার– এক. সৃষ্টিগত স্থায়ী বন্ধ্যাত্ব । যার চিকিৎসা সম্ভব নয় । দুই. কোনো রোগের কারণে সৃষ্ট অস্থায়ী বন্ধ্যাত্ব । এই প্রকার বন্ধ্যাত্বের অবশ্যই চিকিৎিসা সম্ভব । পুরুষ হোক বা নারী উভয়েই দুই কারণে অস্থায়ী বন্ধ্যাত্বের শিকার হতে পারে । এক. শারীরিক অসুস্থতার জন্য । দুই. শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা সত্ত্বেও জিন-যাদুর কারণেও বন্ধ্যাত্বের শিকার হতে পারে । পুরুষের অস্থায়ী বন্ধ্যাত্ব সন্তান...

Continue reading...

বদনজরের লক্ষণসমূহ

১) ব্যবসা, চাকুরী, আয়রোজগারে কোনোভাবেই উন্নতি না হওয়া; দিন দিন সবকিছু কেমন অবনতির দিকে যাওয়া ২) পেশা সংশ্লিষ্ট কাজ যাতে ভাল দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেটা করতে গেলেই ঝামেলা সৃষ্টি হওয়া বা অসুস্থ হয়ে যাওয়া ৩) কাজকর্মে মনোযোগ না বসা৪) আত্মনির্ভরশীলতা হারিয়ে ফেলা৫) ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া৬) কাজকর্মে ঘনঘন ভুল করা৭) লাল চোখ ওয়ালা কিংবা বোরকা পরিহিত চোখ খোলা মানুষ স্বপ্নে দেখা ৮) মরা মানুষ স্বপ্নে দেখা বা নিজেকে মৃত দেখা৯)...

Continue reading...

যাদু নষ্টের গোসল

সাতবার, তিনবার বা সময়ের বিচেনায় যত বেশি সংখ্যকবার সম্ভব নিম্নোক্ত আয়াতগুলো পাঠ করে পানিতে ফুঁ দিবেন । অতঃপর উক্ত পানি দ্বারা এমনভাবে গোসল করবেন যেন মাথার চুল থেকে নিয়ে পায়ের নখ পর্যন্ত শরীরের প্রত্যেকটি জায়গায় উক্ত পানি পৌঁছে যায়। নিজ নিজ রাক্বির পরামর্শ অনুযায়ী তিন দিন/সাত দিন অথবা রোগীর পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি যতদিনের পরামর্শ দিবেন ততদিন গোসল করবেন । বিঃদ্রঃ উক্ত পানির সাথে জমজম, বৃষ্টি ও গোলাপের পানি বা যেকোন একটা মিশিয়ে নিতে...

Continue reading...

চাঁদ দেখার দোয়া

নবী কারীম (স.) চাঁদ দেখে নিম্নাক্ত দোয়া পাঠ করতেন-   আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-আমনি ওয়াল ঈমান, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লাহু । (সুনানে দারিমী ১৭৩০)   মুসনাদে আহমদ (১৩৯৭) ও সুনানে তিরমিযী (৩৪৫১) এর বর্ণনায় বিল-আমনি এর পরিবর্তে ‘বিল-ইউমনি’ এসেছে । যেকোন একভাবে পড়লেই হবে ইনশাআল্লাহ্ ।   আবু দাঊদের (৫০৯২) বর্ণনায় দুয়াটি এভাবে এসেছে-   হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, হিলালু খাইরিন ওয়া রুশদিন, আমানতু বিল্লাযি...

Continue reading...
error: Content is protected !!