একজন মানুষ অপর মানুষ ও জ্বীনদের বদনজর দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে তা কমবেশি আমরা সকলেই জানি । আবার অন্যান্য প্রাণীও মানুষের ও জ্বীনদের বদনজর দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে এটাও অনেকে জেনে থাকবেন । তবে মানুষ যে সাপ, কুকুর ও বিড়াল ইত্যাদির নজর দ্বারাও আক্রান্ত হতে পারে এ বিষয়টি আমরা অনেকেই জানি না । বিষয়টি অবশ্য মতভেদপূর্ণ । বেশিরভাগ ওলামায়ে কেরাম সমর্থন করলেও এর বিপক্ষেও কিছু ওলামায়ে কেরাম মতামত ব্যক্ত করেছেন । যারা...
Continue reading...মুফতী মুহাম্মাদ আল-আমীন
বদনজর কাকে বলে?
নজর অর্থ সাধারণ দৃষ্টি আর বদনজর মানে হলো– কুদৃষ্টি বা মন্দচাহনি । ১) বদনজর হলো, হিংসার নিকৃষ্ট স্বভাব-মিশ্রিত বিষাক্ত দৃষ্টি, যা কখনো কখনো ক্ষতির কারণ হয় । ২) ইবনে হাজার আসকালানী (রহ) বলেন, হিংসা নিয়ে মন্দ লোকের দৃষ্টিপাত এর প্রভাবে ব্যক্তি বা বস্তুর যে ক্ষতি হয় তাকে বদনজর বলা হয় । ৩) আল্লাহ তায়ালার প্রসংশা ব্যতিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণাগুণ বা প্রসংশা করার দ্বারা ব্যক্তি বা বস্তুর যে ক্ষতি হয় তাকে...
Continue reading...বন্ধ্যাত্ব ও পরকীয়া, সুস্থতা ও সংশোধন
হযরত যাকারিয়া (আ.) এর স্ত্রী ছিলেন বন্ধ্যা, যে কারণে তাদের সন্তান-সন্ততি হচ্ছিলনা । বৃদ্ধ বয়সে এসে যাকারয়িা (আ.) আল্লাহর কাছে দুয়া করলেন- وَزَكَرِيَّا إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সন্তানহীন করে রেখ না, যদিও তুমি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।’ (সূরা আম্বিয়া -৮৯) এই দুয়ার প্রেক্ষিতেই আল্লাহ পাক তার দোয়া ক্ববুল ও সন্তানের সুসংবাদ বাণী প্রেরণ করলেন । ইরশাদ হয়েছে— فَاسۡتَجَبۡنَا لَهٗ ۫ وَ وَهَبۡنَا لَهٗ...
Continue reading...OCD বা শুচিবাই
মেডিকেল সাইন্সে রোগটিকে বলায় অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডার (Obsessive Compulsive Disorder) যার সক্ষিপ্ত রুপ ওসিডি (OCD) । বাংলায় বলা হয় চিন্তাবাতিক বা শুচিবাই । তিব্বে নববী তথা নবী (আ.) থেকে প্রমাণিত বা সমর্থিত কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা শাস্ত্র মতে এটিকে বলা হয় ‘ওয়াসওয়াসা’ (الوسوسة) । মেডিকেল শাস্ত্রে এ রোগের কারণ হিসেবে বংশগত, পারিপার্শ্বিকতা ও মানসিক চাপকে দায়ী করা হলেও তিব্বে নববী মতে এর প্রধান কালপিট হচ্ছে ‘শয়তান’ । আর মানসিক বিষন্নতা ইত্যাদি অন্যান্য...
Continue reading...জ্বীন আছর করার বিশেষ কিছু মুহুর্ত
ইস্তেঞ্জা, কাপড় পরিবর্তন এবং স্বামী-স্ত্রীর একান্ত মুহূর্তে যেহেতু সতর খুলতে হয়, সেকারণে সময়গুলোতে দোয়া পড়া না হলে জ্বীন-শয়তানের কু-নজর লাগার বেশ সম্ভাবনা থাকে । যৌন হ্যারেজকারী জ্বিনগুলো এ সময় নারী-পুরুষের দেহের বা অঙ্গবিশেষের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। অতএব, জ্বীনের কু-নজর থেকে বাঁচতে এই তিনসময়ের দুয়াগুলো বিশেষ গুরুত্বের সাথে পড়া উচিত। পাশাপাশি ঘরে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময় অবশ্যই দোয়া পড়া । একান্ত দোয়া না পারলে কমপক্ষে শুধু “বিসমিল্লাহ” বলে হলেও ঘরে...
Continue reading...