আশিক শব্দের অর্থ লাভার বা প্রেমিক । ভিক্টিমকে ভালোলাগার ফলে যে জ্বীন তাকে আছর করে তাকে আশিক জ্বীন বলে । এই ভালোলাগা শুরু থেকেও যেমন হতে পারে, আবার প্রথমদিকে যাদু বা অন্য কোন কারনে ভিক্টিমকে আছর করার পরে, দীর্ঘদিন তার সাথে থাকতে গিয়ে একটা সময় তার প্রেমিকে পরিণত হতে পারে । এই জ্বীনের সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে এরা ভিক্টিমের সাথে লাইলী-মজনু টাইপ সম্পর্ক স্থাপনের কারনে খুব সহজে যেতে চায়না । ভালবাসার খাতিরে...
Continue reading...মুফতী মুহাম্মাদ আল-আমীন
বিবাহ হওয়ার আমল (১)
উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার নিয়তে— সূরা আনফাল – আয়াত ৬৩ সূরা আম্বিয়া – আয়াত ৯০ সূরা ফুরকান – আয়াত ৭৪ দৈনিক ফজর এবং মাগরিবের পূর্বে প্রতিটি আয়াত ৭/২১ বার তিলাওয়াত করবেন এবং সূর্যাস্তের পূর্বে উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে লম্বা সময় মুনাজাত করবেন। বিঃদ্রঃ পরকীয়ায় আসক্ত বা একে অপরের প্রতি টান কম; এমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা বৃদ্ধির জন্যও আমলটি খুবই উপকারী হবে ইনশাল্লাহ ।
Continue reading...সুস্থতা রাক্বীর হাতে নয়; আল্লাহর হাতে
আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যা বিশ্বাসীদের জন্য সুচিকিৎসা ও দয়া। — সূরা বনী ইসরাইল, ৮২। আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ পাকের উপরোক্ত সুস্পষ্ট ঘোষণা সম্পর্কে জানার পরে একজন মুমিন হিসেবে আপনি নিশ্চয়ই বিশ্বাস করেন যে, কুরআনের মধ্যে ‘সুস্থতা’ রয়েছে। আমি আরও বিশ্বাস করি যে— আমি যদি এ কুরআনকে কোনো পাহাড়ের ওপর অবতীর্ণ করতাম, তবে আপনি দেখতেন— সেটি আল্লাহর ভয়ে বিনীত ও বিদীর্ণ হয়ে গেছে। — সূরা হাশর, ২১। কুরআনে পাকের এ আয়াতটি...
Continue reading...হেফাজতের আয়াত
জিন-যাদু থেকে হেফাজতের আয়াত যাদু-টোনা, জিনের অত্যাচার, শত্রুর ক্ষতি, ঘরের নিরাপত্তা, বাচ্চাদের নিরাপত্তাসহ যেকোনো ক্ষতি থেকে নিরাপত্তা লাভের নিয়তে মাসনূন আমলের পাশাপাশি হেফাজতের এ আয়াতগুলোর তিলাওয়াত খুবই উপকারী হবে-ইনশাআল্লাহ্ । প্রতি ফরজ নামাজের পরে, ঘুমের পূর্বে বা আপনার রাকীর পরামর্শ অনুযায়ী পড়বেন । পাশাপাশি পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করতে পারেন । জিনের রোগী হয়ে থাকলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে শরীরে মালিশ করবেন । সূরা বাকারা ২৫৫ থেকে ২৫৭ নম্বর আয়াত...
Continue reading...স্বপ্নে ভয় পাওয়া
রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে ভয় পেলে এর থেকে মুক্তি লাভের জন্য স্বয়ং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো নিম্নোক্ত দুয়া এবং পাশাপাশি নিম্নোক্ত আয়াতটি পড়ে ঘুমালে স্বপ্নে ভয় পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্ । রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেহ ঘুমের মধ্যে ভয় পেলে সে যেন বলে— أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ غَضَبِهِ، وَعِقَابِهِ، وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ، وَأَنْ يَحْضُرُونِ বাংলা উচ্চারণঃ আঊযু বি-কালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন গাদাবিহী, ওয়া ইকাবিহী, ওয়া শার্রী...
Continue reading...