এই সাতটি কাজে জিন খুব কষ্ট পায়
১। তার জন্য বদ দোয়া করলে ।
২। জিন যে কারণে শরীরে প্রবেশ করেছে, সে সংক্রান্ত আয়াত বা দোয়া তিলাওয়াত করলে।
যেমন— বদনজর, হিংসা, যাদু, জুলুম ও ইশক ইত্যাদি।
৩। জিন রোগীর শরীরে প্রবেশ করে যে উদ্দেশ্য সাধন করতে চাইছে, সে-সংক্রান্ত আয়াত বা দোয়া পাঠ করলে।
যেমন— বিচ্ছেদ করানো, বিবাহ বন্ধ করা, লেখাপড়া বা ক্যারিয়ারে বাধা হওয়া ইত্যাদি।
পাশাপাশি, সে যে উদ্দেশ্যে শরীরে প্রবেশ করেছে, তার বিপরীত বিষয়ের আয়াত তিলাওয়াত করলে।
যেমন—স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটানোর উদ্দেশ্যে উভয়ের কোনো একজনকে জিন পজেসড করে থাকলে, সে জিনকে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে আপনি এমন সব আয়াত পড়তে পারেন, যার মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে মহব্বত পয়দা হয়—এতে জিনটি মারাত্মক কষ্ট পাবে।
৪। এমন সব আয়াত তিলাওয়াত করলেও জিন বেশ কষ্ট পায়, যেখানে জিনের সৃষ্টিগত ধরন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
যেমন— কুকুর, পাখি, সাপ। আসহাবে কাহাফের কুকুর নিয়ে যে আয়াতে আলোচনা করা হয়েছে, কুকুর-জিনের জন্য আপনি সে আয়াতটিসহ কুকুর-সংক্রান্ত অন্যান্য আয়াতগুলো পড়তে পারেন। মূসা (আ.)-এর লাঠি এবং যাদুকরদের লাঠি সাপ হয়ে যাওয়ার ঘটনা যে সব আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে, সাপ-জিনের ক্ষেত্রে আপনি সে আয়াতগুলো পড়তে পারেন। পাখি-জিনের জন্য সূরা ফিলসহ অন্যান্য যে সব আয়াতে পাখি এবং উড়াউড়ি নিয়ে আলোচনা এসেছে, সে আয়াতগুলো পড়তে পারেন।
৫। শয়তান, ইবলিস ও জিনকে সম্বোধন করা হয়েছে— এমন সব আয়াত পড়লেও জিন বেশ কষ্ট পায়। পাশাপাশি জালিম, অপরাধী, জাহান্নামী এবং এদের জন্য প্রস্তুতকৃত জাহান্নামের শাস্তি-বিষয়ক আয়াত পড়লেও শয়তানগুলোর বেশ কষ্ট হয়।
৬। রুকইয়াহ চলাকালীন রুকইয়াহকৃত পানি রোগীর শরীরে ছিটিয়ে দিলেও শয়তানগুলোর মারাত্মক কষ্ট হয়। সেটা যদি ঠান্ডা পানি হয়, কষ্টের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।
৭। জিন যে ধর্মে বিশ্বাসী, তার সামনে সে সংক্রান্ত আয়াত তিলাওয়াত করলেও সে বেশ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে।